ঢাকা   শনিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২২, ১১ অগ্রহায়ণ ১৪২৯   সন্ধ্যা ৬:১৭ 

সর্বশেষ সংবাদ

তারেক-জোবায়দা আইনের দৃষ্টিতে পলাতক, দুর্নীতির মামলা চলবে : হাইকোর্ট

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব তারেক রহমান ও তার স্ত্রী জোবাইদা রহমান আইনের দৃষ্টিতে পলাতক। আদালতে উপস্থিত না হয়ে তারা কোনো প্রতিকার চাইতে পারেন না। ফলে তাদের রিট আবেদন গ্রহণযোগ্য নয়। তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলা চলতেও কোনো বাধা নয়। অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলার বৈধতা নিয়ে তারেক রহমানের রিট খারিজ করে দিয়ে এ মন্তব্য করেছে হাইকোর্ট। এর ফলে তার বিরুদ্ধে বিচারিক আদালতে মামলা চলতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন দুদক আইনজীবী। আদালত স্পষ্ট করে বলেছেন, জোবায়দা রহমান পলাতক থাকায় তার রিট গ্রহণযোগ্য নয়। তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে লন্ডনে পলাতক রয়েছেন। তার সঙ্গে তার স্ত্রীও রয়েছেন।
বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দ সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ রবিবার এ রায় দেন।
দুদক আইনজীবী খুরশীদ আলম খান সাংবাদিকদের বলেন, তারেক রহমান আলাদা তিনটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি। তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি রয়েছে। তিনি পলাতক আসামি। তার বিরুদ্ধে রুল খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। জোবায়দা রহমান আইনের দৃষ্টিতে পলাতক। এটি আপিল বিভাগের আদেশে বলা হয়েছে। দুদক আইনজীবী বলেন, মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য নিম্ন আদালতকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
ঘোষিত আয়ের বাইরে ৪ কোটি ৮১ লাখ ৫৩ হাজার ৫৬১ টাকার মালিক হওয়া ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে রাজধানীর কাফরুল থানায় ২০০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর মামলাটি করা হয়। মামলায় তারেক রহমান, তার স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমান ও শাশুড়ি ইকবাল মান্দ বানুকে আসামি করা হয়।
পরে একই বছরে তারেক রহমান ও তার স্ত্রী পৃথক রিট আবেদন করেন। রিটে জরুরি আইন ও এ মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেন। হাইকোর্ট রুল জারি করে স্থগিতাদেশ দেন। এরপর রিট মামলাগুলো ১৯ এপ্রিল কার্যতালিকায় আসে। পরে রুল শুনানির জন্য দিন ঠিক করেন হাইকোর্ট।
এদিকে, একই মামলার বৈধতা নিয়ে আরেকটি ফৌজদারি আবেদন করেছিলেন ডা. জোবায়দা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। রুলের শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল রায় দেন হাইকোর্ট। রায়ে মামলা বাতিলে জারি করা রুল খারিজ করে দেন। একইসঙ্গে জোবায়দা রহমানকে আট সপ্তাহের মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণেরও নির্দেশ দিয়েছিলেন। রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেন জোবায়দা রহমান। গত ১৩ এপ্রিল আবেদন খারিজ করেন আপিল বিভাগ। বাসস।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সবচেয়ে আলোচিত