ঢাকা   রবিবার, ২ অক্টোবর ২০২২, ১৭ আশ্বিন ১৪২৯   সন্ধ্যা ৭:৩২ 

সর্বশেষ সংবাদ

শেষ দিনে উত্তপ্ত সংসদ: নির্বাচন নিয়ে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধী দল সদস্যদের তুমুল বিতর্ক

শেষ হলো সংসদের বাজেট অধিবেশন। আর শেষ দিনের অধিবেশন উত্তপ্ত হয়ে ওঠে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এবং বিরোধীদলের কয়েকজন সদস্যের তর্ক বিতর্কের মধ্যে দিয়ে। আর এর মধ্যে দিয়ে অনেক দিন পর মনে হলো প্রাণবন্ত একটি সংসদ।
শেষ দিনের অধিবেশনে বিএনপির সংসদ সদস্যরা নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের দাবি উত্থাপন করলে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক স্পষ্ট জানিয়ে দেন এটা আর ফিরে আসবে না। কারণ উচ্চ আদালতের নির্দেশে তত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল হয়েছে। সরকার আদালতের রায় অমান্য করতে পারে না।
বুধবার বিএনপির সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা চলতি অধিবেশনকে বাজেট অধিবেশন না বলে ‘পদ্মা অধিবেশন’ নামকরণ করাসহ নানা সমালোচনা করে বক্তব্য রেখেছিলেন। অধিবেশনের শেষ দিন বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের বাজেট বরাদ্দ নিয়ে রুমিন ফারহানার ছাঁটাই প্রস্তাবের বক্তব্যের জবাব দেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

ওই বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে আইনমন্ত্রী বলেন, আমরা নাকি এখানে (সংসদে) খালেদা জিয়াকে বকাবকি করি। আমরা নাকি পদ্মা সেতু নিয়ে বেশি বেশি কথা বলছি। এটা নাকি ছিল সংসদের কাজ। আমরা এই সংসদে অনেক গুরুত্বপূর্ণ জিনিস আলাপ করেছি। পদ্মা সেতু অবকোর্স বাংলাদেশের জন্য একটি বিরাট অ্যাচিভমেন্ট। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু আমাদের স্বাধীনতা দেয়ার পরে যদি কোন ঐতিহাসিক তৎপর্যপূর্ণ স্থাপনা হয়ে থাকে, সেটা হচ্ছে পদ্মা সেতু।
পদ্মা সেতুকে স্বাধীনতার পর দেশের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ অবকাঠামো উল্লেখ মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা পদ্মা সেতু নিয়ে কথা বলবো না কী নিয়ে কথা বলবো? আমরা কি উনার (রুমিন ফারহানা) কাপড়-চোপড় নিয়ে কথা বলবো? আমি তো তা করবো না।’
পরে জননিরাপত্তা বিভাগের বরাদ্দের ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে আইনমন্ত্রীর বক্তব্যের জবাব দেন রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, ‘যুক্তিবিদ্যার সবচেয়ে বড় ফ্যালাসি হচ্ছে যখন কোন যুক্তি থাকে না, তখন ব্যক্তিগত আক্রমণ করা। যখন যুক্তি থাকে না, তখন ব্যক্তিগত আক্রমণ আসে। উনি যুক্তি না পেয়ে আমার পোশাক নিয়ে আলোচনা হবে কিনা, এমন অভব্য বক্তব্য দিয়েছেন, যা আমরা আইনমন্ত্রীর কাছে আশা করি না। প্রধানমন্ত্রী একজন নারী, সংসদের স্পিকার একজন নারী। এই বক্তব্য পুরো সংসদের জন্য লজ্জার।’
উচ্চ আদালতে জামিন জালিয়াতি প্রসঙ্গ:
উচ্চ আদালতে জামিন জালিয়াতির কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। তবে উপযুক্ত বিচার না হওয়ায় একের পর এক জামিন জালিয়াতির ঘটনা ঘটার তথ্য সঠিক নয়। সংসদের প্রশ্নোত্তরে বিএনপির গোলাম মোহাম্মদ সিরাজের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এ কথা বলেন। প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।
আইনমন্ত্রী বলেন, উপযুক্ত বিচার না হওয়ায় দেশের সর্বোচ্চ আদালতে একের পর এক জামিন জালিয়াতির ঘটনা ঘটছে, এমন তথ্য সঠিক নয়। উচ্চ আদালতে জামিন জালিয়াতির কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। এ ধরনের অনভিপ্রেত জামিন জালিয়াতি বন্ধে জড়িত অপরাধীদের শনাক্ত করে ফৌজদারি আইনে বিচারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
কাজিম উদ্দিন আহমেদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী জানান, রেজিস্ট্রার ও সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে কর্মরত নকল নবিশ সংখ্যা ১৬ হাজার ২৪৫ জন। নকল নবিশদের চাকরি রাজস্ব খাতে ন্যস্ত করতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ করা হয়েছে। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে। শিগগিরই ইতিবাচক সিদ্ধান্ত হবে।
নির্বাচন নিয়ে সংসদে বিতর্ক :
বাজেটের মঞ্জুরি দাবির উপর আলোচনার সময় নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়েও বিতর্ক হয়। বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা বর্তমান নির্বাচন ব্যবস্থার সমালোচনা করেছেন। বিএনপির সদস্যরা তুলেছেন নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবি। তার জবাবে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, আদালতের রায়ের বাইরে গিয়ে নির্দলীয় সরকার আনার কোনো সুযোগ নেই।
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের এখনও দেড় বছর বাকি থাকলেও নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনের পর সেই নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন আলোচনা চলছে।
বৃহস্পতিবার সংসদে ২০২২-২৩ অর্থ বছরের বাজেটে প্রস্তাবিত দায়যুক্ত ব্যয় ব্যতীত অন্যান্য ব্যয় সম্পর্কিত মঞ্জুরি দাবির উপর আলোচনায় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের বরাদ্দের দাবি নিষ্পত্তির সময় নির্বাচন কমিশনের প্রসঙ্গ আসে।
জাতীয় পার্টির শামীম হায়দার পাটোয়ারি বলেন, “সুষ্ঠু ভোটের জন্য নির্বাচন কমিশনকে ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। কিন্তু তারা (ইসি) এখন দন্তহীন বাঘ।”

“নির্বাচন কমিশন যত শক্তিশালী হবে তত্ত্বাবধায় সরকারের দাবি তত যৌক্তিকতা হারাবে,” মন্তব্য করে ইসির অধীনে ‘নির্বাচনী পুলিশ’ গঠনের প্রস্তাব করেন শামীম হায়দার।
জাতীয় পার্টির সদস্য রওশন আরা মান্নান বলেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশন সঠিকভাবে কাজ করলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে।
গত ১০ বছরে নির্বাচন কমিশনের উপর মানুষের ‘অনাস্থা তৈরি হয়েছে’ দাবি করে বিএনপির হারুনুর রশীদ কটাক্ষ করে নির্বাচন কমিশনের বরাদ্দ অর্থ প্রশাসন ও পুলিশকে দেয়ার পরামর্শ দেন।
তিনি বলেন, “এখন নির্বাচন কমিশন নির্বাচন করে না। নির্বাচন করে প্রশাসন।” সরকারের সদিচ্ছা না থাকলে কোনভাবেই নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না বলে মন্তব্য করেন বিএনপির হারুন।
ইভিএমের বিরোধিতা করে বলেন, “সাবেক সিইসি নূরুল হুদা এখন বলছেন, ইভিএমে কিছু ত্রুটি আছে। তাহলে তিনি কেন ইভিএমে নির্বাচন করলেন? একজন নির্বাচন কমিশনার বলেছেন, গোপন কক্ষে থাকা ডাকাত বড় চ্যালেঞ্জ। আওয়ামী লীগ ছাড়া কেউ ইভিএম চায় না।
“আওয়ামী লীগ এক সময় বলেছিল, আওয়ামী লীগকে ছাড়া নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না। এখন বিএনপিকে ছাড়া কি নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে? পারবেন না। বিএনপিকে কীভাবে নির্বাচনে আনবেন সেটা বড় চ্যালেঞ্জ। বিএনপিকে নির্বাচনে আনতে অবশ্যই নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার গঠন করতে হবে। অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে হবে। সে জন্য নির্বাচনকালে নিরপেক্ষ সরকার ক্ষমতায় থাকতে হবে।”
বিএনপির রুমিন ফারহানা বলেন, “যখন দেশে নির্বাচন থাকে তখন নির্বাচন কমিশনের প্রশ্ন আসে। যদি নির্বাচন না থাকে, দিনের ভোট রাতে হয়, তখন নির্বাচন কমিশন দিয়ে কী হবে?

“এখন নির্বাচন মল্লযুদ্ধ। সিইসি বলেছেন, ভোটের মাঠে বিএনপিকে জেলেনস্কির মতো মাঠে থাকতে হবে। ভোট কি যুদ্ধ? একজন নির্বাচন কমিশনার বলেছেন, গোপন বুথে ডাকাত বড় চ্যালেঞ্জ। এই ডাকাত শুধু দলীয় ডাকাত নয়। পুলিশ প্রশাসনও এই ডাকাতি করে। এই ডাকাতির পর যেভাবে পুরস্কৃত করা হয় ভবিষ্যতে ডাকাত আরও বাড়বে।”
রুমিন বলেন, “সাবেক নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীনকে পুরস্কার হিসেবে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব করা হয়। অবসরে যাওয়ার ২৪ ঘণ্টা আগে তিনি ইউরোপ সফরে যান। সে সফরের অভিজ্ঞতা তিনি অবসর জীবনে কাজে লাগাবেন। এভাবে পুরস্কৃত করতে থাকলে বিনা ভোটে সংসদ গঠন চলতেই থাকবে।”
কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “সেখানে একজন সংসদ সদস্যকে নির্বাচন কমিশন সামাল দিতে পারেনি। তার হুমকি-ধমকি সহ্য করতে পারেনি। বারবার অনুরোধ করে তাকে এলাকা থেকে সরাতে পারেনি। যে কমিশন একজন সংসদ সদস্যকে সামলাতে পারে না তারা জাতীয় নির্বাচনে তিনশ সংসদ সদস্যকে কীভাবে সামলাবেন?”
বিএনপির এই সংসদ সদস্য বলেন, “আওয়ামী লীগের একটি পুরনো খেলা আছে। জাতীয় নির্বাচন সামনে থাকলে তার আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো মোটামুটি সুষ্ঠু করা হয়। ২০১৪ সালেও এই খেলা দেখা গেছে।”
জাতীয় পার্টির রুস্তম আলী ফরাজী বলেন, “ইভিএমের কোনো দোষ নেই। যারা ইভিএমে প্রভাব খাটায় ব্যালটেও তারা প্রভাব খাটাতে পারে। এ বিষয়টি বন্ধ করতে হবে।”
একই দলের জ্যেষ্ঠ নেতা কাজী ফিরোজ রশীদ নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্ব স্মরণ করিয়ে দেন।
তিনি বলেন, “নির্বাচন করে রাজনৈতিক দলগুলো। তারা যদি সুষ্ঠু পরিবেশ করে দিতে না পারে তাহলে নির্বাচন কমিশন ঢাকায় বসে কিছুই করতে পারবে না। সবাই নির্বাচনে জিততে চায়। এখানে কোনো এথিকস মানে না। যেদিকে শক্তি বেশি থাকে, স্থানীয় প্রশাসনও সেদিকে চলে যায়।

“আসলে নির্বাচন কমিশনসহ কোনো কমিশনই স্বাধীন নয়। সব সরকারের আমলেই এটি হয়েছে, এটি চলতেই থাকবে।”
গণফোরামের মোকাব্বির খান বলেন, “নির্বাচন সুষ্ঠু না হওয়ার মূল কারণ তারা (ইসি) সরকারের আজ্ঞাবহ। চারটি দল শুধু ইভিএমের পক্ষে আর বেশিরভাগই বিপক্ষে। আজ্ঞাবহ না হয়ে নির্বাচন কমিশনকে জনগণের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ইভিএম বাদ দিয়ে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে।”
বিরোধী সদস্যদের আলোচনার জবাব দিতে গিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, “বিএনপির সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে এখানকার আসনে বসে বলছেন নির্বাচন হয় না। তাহলে প্রশ্ন উঠতেই পারে, উনি সংসদে গেলেন কীভাবে? এর জবাব উনি দেবেন।”
বিএনপি আমলে ভোটের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, “বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ভোট কীভাবে হয়েছে, তা আমরা দেখেছি। ওই সময় কারও ভোট কেন্দ্রে যাওয়া লাগত না, ভোট হয়ে যেত। আজিজ মার্কা নির্বাচন কমিশন তাদের (বিএনপি) ছিল। মাগুরার ভোটের কথাও সবাই জানে। ১৫ ফেব্রুয়ারি বিএনপি কী করেছে, এগুলো কি উনারা ভুল গেছেন?”
বিএনপির সদস্যদের নির্বাচন কমিশনের বরাদ্দ ছাঁটাই করে এক টাকা দেওয়ার প্রস্তাবের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, “উনারা বলেছেন এক টাকা দিতে। উনারা পারবেন এক টাকা দিয়ে কোনো নির্বাচন করে দিতে? পারবেন না। সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন করার জন্য নির্বাচন কমিশনের টাকা লাগবে। নির্বাচন কমিশন তার অর্থ ব্যয়ে পুরোপুরি স্বাধীন।”
অবসরের দুই দিন আগে স্থানীয় সরকার বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব হেলালুদ্দীনের বিদেশ সফর বিষয়ে রুমিন ফাহানার অভিযোগের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, “বিদেশের আমন্ত্রণে মন্ত্রী মহোদয় এবং সচিব টিম নিয়ে ডেল্টা প্লান বিষয়ে গিয়েছিলেন। তারা সেখান থেকে শিখে এসেছেন। এটা হয়েছে বিদেশি সরকারের ব্যবস্থাপনায়। তখন তিনি সচিব ছিলেন। এখানে কি কোনো অন্যায় আছে? জানি না, উনি কোথা থেকে অন্যায় দেখলেন।”
নির্বাচন কমিশন আইন তৈরির প্রেক্ষাপট তুলে ধরে আনিসুল হক বলেন, “এখন বিএনপির দাবি হচ্ছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার হতে হবে, তাহলে উনারা ভোটে আসবে। এই সংসদে দাঁড়িয়ে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে চাই, বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত তত্ত্ববধায়ক সরকারকে অবৈধ ঘোষণা দিয়েছে। উচ্চ আদালতের এই রায়ের এক সুতাও বাইরে সরকার যাবে না।
“বিএনপি সদস্যরা বার বার বলছেন, তাদেরকে নির্বাচনে আনতে হবে। তারা কি পাকিস্তানে থাকে যে সেখান থেকে ডেকে আনতে হবে? তারা তো বাংলাদেশে থাকে। উনারা নির্বাচন করতে চাইলেই নির্বাচন করতে পারে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যে প্লেইং ফিল্ড দরকার সেটা করা হবে। তার এ পদক্ষেপ হচ্ছে নির্বাচন কমিশন গঠন আইন। সেটা করা হয়েছে।”
পরে আরেকটি দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ছাঁটাই প্রস্তাব তুলতে গিয়ে আইনমন্ত্রীর বক্তব্যের জবাবে বিএনপির হারুন বলেন, “বিএনপিকে নির্বাচনে আনতে বলিনি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপিকে নির্বাচনে আনতে যুক্তরাষ্ট্রে লবিস্ট নিয়োগ করেছেন।
“বিএনপি নির্বাচনে না এলে নির্বাচন জাতীয় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গ্রহণযোগ্যতা পাবে না। ফাঁকা মাঠে গোল দেয়াতে কোনো কৃতিত্ব নেই। মাঠে মূল প্লেয়ার দুটা, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। দুই দলকেই মাঠে রাখতে হবে।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

four − two =

সবচেয়ে আলোচিত