ভগবানকে নিয়ে ফেইসবুকে কটুক্তি করার অভিযোগে, ঢাবি শিক্ষক কার্জনের বিরুদ্ধে থানায় জিডি

1
230

‘ভগবান’কে নিয়ে ফেইসবুকে কটুক্তি করার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জনের বিরুদ্ধে থানায় জিডি করা হয়েছে। শনিবার (২৪ জুলাই) বাংলাদেশ হিন্দু যুব পরিষদ এর সাধারণ সম্পাদক অমিত ভৌমিক শাহবাগ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। একই সঙ্গে হাফিজুর রহমান কার্জনকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিস্কার করার জন্য উপচার্যের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন একজন আইনজীবী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন শুক্রবার (২৩ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে তার ব্যক্তিগত আইডিতে ‘ভগবান’কে নিয়ে কটুক্তিমূলক লেখা পোস্ট করেন। সেই পোস্টটি মূহুর্তের মধ্যে ভাইরাল হলে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা এর প্রতিবাদ করেন।
বাংলাদেশ হিন্দু যুব পরিষদ এর সাধারণ সম্পাদক অমিত ভৌমিক বলেন, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট, ধর্মীয় উগ্রবাদ সৃষ্টি, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য পোস্টটি করেছেন।তিনি পোস্টটি করে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনূভুতিতে আঘাত করেছেন। তাই আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”

এদিকে হাফিজুর রহমান কার্জনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক পদ থেকে অব্যাহতি দেয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন সুমন কুমার রায় নামের একজন আইনজীবী। আবেদনে বলেন মি.কার্জনের এমন মন্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে। এদিকে নিজের পোস্টে বিপরীত প্রতিক্রিয়া এবং প্রতিবাদ পেয়ে নিজের ফেইসবুক আইডি থেকে পোস্টটি সড়িয়ে নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন বলেন, “আমি প্রত্যেকটি ধর্মের ব্যাপারে শ্রদ্ধাশীল এবং মনে করি যে কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা উচিত নয়। তবুও অসচেতনভাবে বা অনিচ্ছাকৃতভাবে যদি আমার পোস্টের মাধ্যমে কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে থাকি সেজন্য আমি ক্ষাপ্রার্থী।”
এ বিষয়ে শাহবাগ থানার ওসি জানান, একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

1 COMMENT

  1. His explanation clearly suggests that the teacher is inherently communal as precisely he can hurt in writing religious sentiment of a community he does not belong to, unwilfully and/or unconsciously. Never in the history of Dhaka Univerty any teacher, including teacher of Islamic History, was found to have said anything either by express words or by any visible representation that offends or tends to offend against religious sentiment of any community. How on earth a teacher of a university can unwilfully do that. This deserves to be taken serious notice of so that the virus cannot spread any further. Minimum standard of a university teacher must of necessity be maintained.

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

three × five =