ঢাকা   সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১   দুপুর ২:২৩ 

সর্বশেষ সংবাদ

কারও প্ররোচণায় নয়, সাবেক মেয়র খোকনের বিষয়ে দুদক স্বাধীনভাবে অনুসন্ধান করছে, জানিয়েছেন সংস্থাটির সচিব

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাঈদ খোকনকে কারও প্ররোচণায় হয়রানী করা হচ্ছে না। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) স্বাধীনভাবে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অনুসন্ধান করছে। এর অংশ হিসেবেই মি.খোকনসহ তার পরিবারের সদস্যদের ৮টি ব্যাংক হিসাব আদালতের নির্দেশে জব্দ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকালে এই দুদক সচিব মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। তিনি বলেন “দুদক স্বাধীন সংস্থা, তারা কারও দ্বারা প্রভাবিত হয়ে কাজ করে না, নিজের প্রয়োজনে অনুযায়ী কাজ করে।“
দুদকের আবেদনে আদালতের আদেশে ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) হওয়ার পর সাঈদ খোকন এজন্য বর্তমান মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসকে দুষেছেন। দুদকের মাধ্যমে ‘হয়রানি’ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন খোকন।

মঙ্গলবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এসে সাবেক মেয়র খোকন অভিযোগ করেন, “মেয়র তাপস নিজের ব্যর্থতা ঢাকতে দুর্নীতি দমন কমিশনের মাধ্যমে তাকে হয়রানি করছেন।“
এরপর বিকেলে এই বিষয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে দুদক সচিব বলেন, “এই রকম কোনো বিষয় নেই।“
আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “দুদক সব সময় সবার স্বার্থ রক্ষা করে কাজ করে। প্রয়োজন হলে তার স্বার্থ রক্ষা করবে।
“দুদক মানুষকে অযথা বা একচেটিয়া, একদিক থেকে কোনো কিছু করে না।”
অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাঈদ খোকনের বিরুদ্ধে ২০২০ সালের শুরু থেকেই অনুসন্ধান চালাচ্ছে দুদক। এই অভিযোগে ইতোমধ্যে মেয়র থাকাকালীন সময়ে তার পিএস ও এপিএসকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন কমিশনের কর্মকর্তারা।
সাঈদ খোকনকে জিজ্ঞাসাবাদের পরিকল্পনা আছে কিনা, এমন প্রশ্নে দুদক সচিব আনোয়ার হোসেন হাওলাদার বলেন, “তদন্তকারী অফিসার প্রয়োজন মনে করলে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন।”
সাবেক মেয়রের অবরুদ্ধ আটটি ব্যাংক হিসাবে কত টাকা রয়েছে সেই বিষয়ে কোনো তথ্য দেননি তিনি।
দুদক সচিব বলেন, “আটটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হল- শাহানা হানিফের নামে দুটি, একটি সিটি ব্যাংক, একটি এক্সিম ব্যাংক লিমিটেডে। ফারহানা আলমের নামে একটি, তারপর সাঈদ খোকন প্রপার্টিজ লিমিটেড নামে সিটি ব্যাংকে, ফোর এ প্রাইভেট লিমিটেডের নামে ন্যাশনাল ব্যাংকে, মেসার্স এইচ এম এস করপোরেশনের নামে সিটি ব্যাংক বনানী শাখা এবং ফাতেমা খাতুনের নামে ব্যাংক এশিয়া বনানী শাখায় একটি। এই আট অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে।“
দুদুকের আবেদনে আদালত এগুলো অবরুদ্ধ করেছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “একাউন্টগুলো ফ্রিজ থাকবে। মনে করা হচ্ছে যে, অতীতে বেশ টাকা পয়সার অস্বাভাবিক লেনদেন আছে। ভবিষতে সেখান থেকে টাকা-পয়সা.. ইয়ে হয়ে যেতে পারে বিভিন্নভাবে।
“অনুসন্ধানের স্বার্থে তদন্তকারী কর্মকর্তা আবেদন করেছেন এবং আবেদন মঞ্জুর হয়েছে।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সবচেয়ে আলোচিত